ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে আগুন লাগার ঘটনায় শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন। চালক এক যাত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করার পর বেপরোয়া গতিতে বাসটি চালাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটিতে থাকা এক যাত্রীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পথিমধ্যে চালকের সঙ্গে এক যাত্রীর বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর চালক ক্ষিপ্ত হয়ে অত্যন্ত বেপরোয়া ও এলোমেলোভাবে বাসটি চালাতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে বানিয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বাসটি চট্টগ্রামমুখী লেনে থাকা একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দিয়ে উল্টে যায়। মুহূর্তেই বাসটিতে আগুন ধরে গেলে ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়। এ সময় বাসের ভেতর থাকা অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
নিহত চারজনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। তারা হলেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মাঝেরচর এলাকার সুমন হোসেনের ছেলে মো. হোসাইন (২), কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার পূর্ব পেন্নাই এলাকার শামিউল আলমের ছেলে শামীম হোসেন এবং শামীমের ছেলে মো. নাদিফ (৬)। নিহত অপর নারীর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি ইকবাল বাহার বলেন, বাসে থাকা একজন যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পেরেছি, চালক ঝগড়া করার পর থেকেই বাসটি বেপরোয়াভাবে চালাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিকে উদ্ধার করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।








































আপনার মতামত লিখুন :