চতুর্থ ওভারে চার বলের মধ্যে ২৮ রানে ২ উইকেট হারায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সপ্তম ওভারের মধ্যে আরও দুটি উইকেট পড়ে তাদের। তারপর চার ওভারের বিরতি। ৪ উইকেটে ৪৬ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিল নোয়াখালী। কিন্তু নাসুম আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৫ রানের মধ্যে শেষ ৬ উইকেট হারায় তারা।
শুরুতেই সৌম্য সরকারকে ফেরানোর পর ১১তম ওভারে নাসুম আহমেদ পঞ্চম বলে হায়দার আলীকে আউট করেন। এরপর নিজের শেষ ওভার করতে নামেন সিলেটের স্পিনার। ১৩তম ওভারে তিনি মেহেদী হাসান রানা ও জহির খানকে আউট করেন টানা দুই বলে। বিলাল সামি হ্যাটট্রিক করতে না দিলেও এক বল পর তাকে ফিরিয়ে পঞ্চম উইকেট পেয়ে যান নাসুম। ৮ বলে ৪ উইকেট নেন তিনি। ৪ ওভারে ৭ রান খরচায় নাসুম পেয়েছে ৫ উইকেট।
১৫তম ওভারে মোহাম্মদ আমির ইনিংস সেরা ২৫ রান করা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে আউট করলে ৬১ রানে অলআউট নোয়াখালী। বিপিএলে সর্বনিম্ন দলীয় রানের তালিকায় চারে তাদের এই ইনিংস। ২০১৯ সালে রংপুরের বিপক্ষে কুমিল্লার ৬৩ রানের পর এই প্রতিযোগিতায় এটাই সর্বনিম্ন দলীয় রান। এই তালিকায় ৪৪ রান করে সবার উপরে খুলনা, ২০১৬ সালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল রংপুর।
নোয়াখালীর চার ব্যাটার ডাক মেরেছেন। মাহিদুল ছাড়া দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছানো একমাত্র ব্যাটার হাবিবুর রহমান সোহান (১৮)।








































আপনার মতামত লিখুন :