Daily Poribar
Bongosoft Ltd.
ঢাকা মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য: সাহিদ মিয়া


দৈনিক পরিবার | স্টাফ রিপোর্টার  সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য: সাহিদ মিয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নের পাহাড়িয়াকান্দি গ্রামের কৃতি সন্তান মো. সাহিদ মিয়া। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মী। পাহাড়িয়াকান্দি গ্রামের মো. আরব আলীর সন্তান মো. সাহিদ মিয়া। তিনি তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজপথের একজন পরীক্ষিত লড়াকু সৈনিক। 
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নীতি ও আদর্শকে বুকে ধারণ ও লালন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন সাহিদ মিয়া। বিগত সময়ে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েও দলের আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুৎ হননি। দলে বড় কোন পদ না থাকলেও বিএনপির রাজনীতিতে সাহিদ মিয়ার সরব উপস্থিতি ছিল। দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছেন তিনি। তাছাড়া পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়ন বিএনপিকে শক্তিশালী করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার পাশাপাশি বিভিন্ন নেতাকর্মীদেরকেও সাহস যুগিয়েছেন। দলের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। আর সেই কারণেই পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতিতে সাহিদ মিয়া এক অনন্য নাম। এই ইউনিয়নের আনাচে-কানাচে তার পদচারণা এবং সাধারণ শ্রমজীবী অসহায় মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে বেশ আন্তরিকতা ও সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছে যে সম্পর্কের শিকড় অনেক গভীরে। 


সাহিদ মিয়া পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষকে মনে প্রাণে ভালোবাসেন। তারাও তাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসেন আর সেই কারণেই এখানকার মানুষ সাহিদ মিয়াকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে যেই স্বপ্নের মধ্যে আছে একটি সুন্দর উন্নত ও সমৃদ্ধ পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়ন। তৃণমূল পর্যায়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের কারণে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার নিয়মিত অংশগ্রহণ, দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকার কারণে ইতোমধ্যে তিনি পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নের মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। বিশেষ করে তরুণ সমাজের কাছে তিনি একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ। পাশাপাশি বয়োজ্যেষ্ঠদের মাঝেও তার ভদ্রতা ও আচরণ প্রশংসা কুড়িয়েছে।


স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২নং পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নতুন নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। সেই প্রেক্ষাপটে সাহিদ মিয়ার নাম সবার মুখে মুখে। তৃণমূলের রাজনীতি জানা, মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং দলীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাকে একজন শক্ত সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করছে।
সাহিদ মিয়া বলেন, আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। ছোটবেলা থেকেই পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নবাসীর সুখ-দুঃখের সঙ্গে জড়িয়ে আছি। সব সময় চেষ্টা করেছি সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে। যদি এলাকার মানুষ আমাকে যোগ্য মনে করে এবং দায়িত্ব দেয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নকে একটি সুশাসনভিত্তিক, উন্নয়নমুখী ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। তরুণ সমাজ, শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক ও সাধারণ জনগণের আশা-আকাঙ্খা বাস্তবায়নই হবে আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।


সব মিলিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নে সাহিদ মিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা ও প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছে। ইতোমধ্যে নিজের অর্থায়নে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থানের উন্নয়নসহ শিক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন। সেই কারণে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাও বাড়ছে। চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে বিজয়ী হলে উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। 
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ২নং পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন মো. সাহিদ মিয়া।  

Side banner