Daily Poribar
Bongosoft Ltd.
ঢাকা শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২

টানাবর্ষণে রাজবাড়ীর সবগুলো নদনদীর পানি বৃদ্ধি


দৈনিক পরিবার | স্টাফ রিপোর্টার আগস্ট ৪, ২০২৫, ০২:৪৭ পিএম টানাবর্ষণে রাজবাড়ীর সবগুলো নদনদীর পানি বৃদ্ধি

টানাবর্ষণে রাজবাড়ীর সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনো বিপৎসীমার নিচেই রয়েছে নদ-নদীর পানি। তবে পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার ৫৭ কিলোমিটার নদী তীরবর্তী অংশের বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে পানি বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এম এ শামীম।
এদিকে পদ্মার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের মহাদেবপুর, চর সেলিমপুর, কালিতলা, মেছোঘাটা এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এছাড়া দৌলতদিয়া ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া এলাকার কাউলজানি গ্রামের ৩ কিলোমিটার এলাকার ৫০/৬০ বিঘা কৃষি জমি বিলীন হয়েছে। অপরদিকে দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাট এলাকায় ভাঙনে কয়েকটি ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে ও ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে দৌলতদিয়ার সবকটি ফেরিঘাট।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার (৪ আগস্ট) সকাল ৯টার পরিমাপকৃত তথ্য অনুযায়ী পদ্মা নদীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া পয়েন্টে পানি ৬ দশমিক ৮৬ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই পয়েন্টে পানির বিদৎসীমা ৮ দশমিক ২০ মিটার। পদ্মা ও হড়াই নদীর মহেন্দ্রপুর পয়েন্ট পানি ৭ দশমিক ৭৯ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই পয়েন্ট পানি বিদৎসীমা ১০ দশমিক ৫০ মিটার। পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি ৮ দশমিক ৫০ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই পয়েন্ট পানির বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৫২ মিটার। এছাড়া গড়াই নদীর কামারখালী ব্রিজ পয়েন্টে পানি ৬ দশমিক ৫৮ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ৭ দশমিক ৭৫ মিটার।
সূত্রটি থেকে আরও জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর গোয়ালন্দ পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে শূন্য দশমিক ১০ মিটার, মহেন্দ্রপুর পয়েন্ট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ০.০৭ মিটার, পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৫ মিটার এবং কামারখালীর গড়াই নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে শূন্য দশমিক ১১ মিটার।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এম এ শামীম বলেন, টানাবর্ষণে রাজবাড়ীর বিভিন্ন নদ-নদীর পানি দুই দিন ধরে বাড়ছে। মাঝে কয়েকদিন পানি বৃদ্ধি কমে ছিল। পানি বৃদ্ধি পেলের এখনো কোথাও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি এবং নিম্নাঞ্চল বা নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল প্লাবিত হবার খবর পাওয়া যায় নি।
তিনি আরও বলেন, পানি বৃদ্ধিতে কয়েকটি স্পটে ভাঙন দেখা দিয়েছে।সেখানে ভাঙন ঠেকাতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলানো হয়েছে।

Side banner