হানি ট্র্যাপে ফেলে দুই ব্যক্তির কাছ থেকে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তিন নারীসহ সাতজনকে গ্রেফেতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে শহরের চকসূত্রাপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। এসময় জিম্মি হওয়া দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন, সদর উপজেলার চকসূত্রাপুর এলাকার সাইদুল ইসলামের স্ত্রী কেয়া বেগম (৩২), একই এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী আফসানা মিমি (২৪), ঘোড়াধাপ মধ্যেপাড়া এলাকার বিল্লল হোসেনের স্ত্রী কামনুর নাহার (২২), চকসূত্রাপুর এলাকার মৃত গোলাপ কাজীর ছেলে মহসীন কাজী সিজান (৩৯), মজিবর সরকারের ছেলে ওমর সরকার (৩৫), চকসূত্রাপুরের জহুরুল পাড়া এলাকার মৃত দুলালের ছেলে এনামুল হোসেন (২৭) ও সুলতানগঞ্জ পাড়া এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে নয়ন হোসেন (৩৫)।
ডিবি জানায়, প্রায় দেড় মাস আগে জয়পুরহাটের এক ব্যক্তি চিকিৎসার জন্য বগুড়ার একটি হাসপাতালে এসেছিলেন। সে সময় তার সঙ্গে কেয়ার পরিচয় এবং মোবাইল নম্বর বিনিময় হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কেয়া ওই ব্যক্তিকে বগুড়ায় দেখা করার জন্য বলেন। পরে ওই ব্যক্তি তার এক বন্ধুকে নিয়ে চকসূত্রাপুর এলাকার একটি বহুতল ভবনে কেয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে কেয়া ও তার চক্রের অন্য সদস্যরা তাদের আটকে রেখে মারধর এবং চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।
পরে ডিবির একটি দল ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় তারা সাত অভিযুক্তকে গ্রেফতার এবং দুই ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে।
বগুড়া ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তাদের মধ্যে সিজান ও ওমরের বিরুদ্ধে হত্যা, ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :