আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাঞ্ছারামপুর সদর ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে পাড়া-মহল্লায় এখন একটাই আলোচনা কে হচ্ছেন সদর ইউনিয়নের আগামী দিনের কর্ণধার? ইউনিয়নবাসীর প্রত্যাশা, আগামীতে এমন একজন ব্যক্তি চেয়ারম্যান হিসেবে আসুক, যিনি হবেন শিক্ষিত, সৎ, জনবান্ধব এবং উন্নয়নের রূপকার। ভোটারদের এই চুলচেরা বিশ্লেষণে বর্তমানে জনমত ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে এসেছেন উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম।
জনপ্রত্যাশা ও নেতৃত্বের সংকট দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি স্থানীয় নেতৃত্বের শূন্যতায় ভুগছে বলে মনে করছেন সচেতন ভোটাররা। বিশেষ করে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও জনপ্রিয় নেতা মনিরুল আলমের অকাল প্রয়াণ ইউনিয়নবাসীকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে। মনিরুল আলমের মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ মানুষের মৃত্যুতে ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে এক ধরনের স্থবিরতা নেমে আসে, যা সাধারণ মানুষকে নতুন ও যোগ্য নেতৃত্বের সন্ধানে উদ্বুদ্ধ করছে।
জনমতের বিপরীতে জাহাঙ্গীর আলম সম্পর্কে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলমের দীর্ঘদিনের জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তাকে ভোটারদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে নিয়ে এসেছে।
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, “জাহাঙ্গীর আলম শুধু ব্যবসায়ী নন, তিনি বিপদে-আপদে মানুষের পাশে থাকেন। তার সততা ও ন্যায়ের প্রতি অবিচল অবস্থান আমাদের মুগ্ধ করে।”
জনপ্রত্যাশা ও নিজের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর আলম এক আবেগঘন অনুভূতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “আমাদের একান্ত ইচ্ছা ছিল মনিরুল আলমকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করার। তার উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং মানুষের প্রতি মমত্ববোধ এই অঞ্চলের মানুষের জন্য আশীর্বাদ ছিল। কিন্তু মহান আল্লাহ পাকের অমোঘ বিধানে তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। তার এই অকাল চলে যাওয়া ইউনিয়নবাসীকে এক বড় ধরনের নেতৃত্বের শূন্যতায় ফেলেছে।”
প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “এলাকার মানুষ আমাকে নিয়ে যে আশার সঞ্চার করেছেন, তাতে আমি অভিভূত। আমি সারা জীবন মানুষের পাশে থেকে কাজ করে এসেছি। মানুষের ভালোবাসা ও মনিরুলের অসমাপ্ত স্বপ্নের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি ইউনিয়নবাসীর ইচ্ছা ও আকাঙ্খাকে মূল্যায়নের জন্য প্রস্তুত আছি। যদি জনগণ মনে করে আমি তাদের সেবা করতে পারব, তবে আমি অবশ্যই তাদের পাশে থাকব।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জাহাঙ্গীর আলমের মতো শিক্ষিত, সৎ ও জনবান্ধব নেতৃত্বের ওপর সাধারণ মানুষের এই আস্থার প্রতিফলন ঘটলে বাঞ্ছারামপুর সদর ইউনিয়ন একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।








































আপনার মতামত লিখুন :