বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস বলেছেন, গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন জায়গায় দেখলাম সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান নিয়ে মাঠে নেমে গেছেন। কার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন? এই সরকার একটা নির্বাচিত সরকার। আপনারা ভাববেন না যে এই সরকার একটা আওয়ামী লীগের মতো রাতের অন্ধকারের ভোটের সরকার।
মঙ্গলবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি।
মির্জা আব্বাস বলেন, এই সরকার কিন্তু কোটি লোকের ভোটে নির্বাচিত সরকার। স্লোগান দিয়ে নিজে দাবির কথা বলতে পারেন। এ ছাড়াও দাবির কথা জানানোর একটা সিস্টেম আছে। সিস্টেমে আসতে পারেন। কিন্তু দয়া করে দেশে এই অবস্থায় এই সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করবেন না।
কিছু কিছু লোক ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে দেশটিকে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে নিয়ে যেতে চায় মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমরা আহ্বান জানাবো এই রমজান মাসে আপনারা দয়া করে ওই অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করবেন না। এবং আরেকটা জিনিস বলবো যে রোজা মুখে রেখে যাই হোক মিথ্যা কথাটা বলবেন না। অপপ্রচার করবেন না। উল্টাপাল্টা গালিগালাজ করবেন না। এতে নিজেদের বংশের পরিচয় মর্যাদা পরিচয় পাওয়া যায়। কে কোথা থেকে আসছেন। আপনাদের একজনের বাবা হলো জামায়াতের রোকন। মা জামায়তের রোকন।
তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এক বছরের না,বহুদিনের। তোমাদের অনেকের জন্ম হয় নাই। বাপ-মায়েরও বিয়ে হয় নাই। সুতরাং এই ক্যারিয়ারকে টোকা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করো না। নিজেদের ক্যারিয়ার বিল্ড আপ করো। সত্যি কথা বলে। মিথ্যা কথা বলে, অপবাদ দিয়ে এই রোজার মাসে মানুষকে খাটো করার চেষ্টা করো না।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই প্রভাবশালী নেতা বলেন, আজকে আমাদের এই সরকারের অনেক কাজের মধ্যে আজকে প্রথম একটা কাজ ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন হলো। সরকারের এক মাসে পূর্ণ হয়নি, এর মধ্যে আজকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ হয়েছে। এরপর আসবে কৃষক কার্ডসহ আরও অনেক কিছু। কিন্তু এরই মধ্যে বহু লোক বহু সমালোচনা করছে। তাদের ভাবটা এরকম যে, এই সরকার হাজার বছর ক্ষমতায় আছে। সরকার ক্ষমতায় আছে মাত্র কয়েকটা দিন। ১৭ বছর ছিল অন্য একটা দল এটা ভুলে গেলে চলবে না। অনেকেই ভাবেন যে এই সরকার ১৭ বছরের সরকার।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শাহরিয়ার নাঈমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন, প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ প্রমুখ।








































আপনার মতামত লিখুন :