পবিত্র ঈদুল আজহার কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপসারণের ঘোষণা দিলেও ঈদের পরের দিন শুক্রবার (২৯ মে) বিকেল পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ২০ ঘণ্টার বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কোথাও সড়কের পাশে জমে ছিল পশুর উচ্ছিষ্ট, আবার কোথাও রক্ত ও ভুড়ির বর্জ্য থেকে ছড়াচ্ছিল দুর্গন্ধ।
শুক্রবার (২৯ মে) সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অনেক জায়গায় এখনও কোরবানির বর্জ্য পুরোপুরি অপসারণ হয়নি। তবে বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বর্জ্য সরানোর কাজ চালিয়ে যেতে দেখা গেছে।
রাজধানীর উত্তর ও দক্ষিণ সিটির বেশ কয়েকটি এলাকায় পশুর খড়-ভুসি, চামড়া, শিং, খুর, ভুড়ির উচ্ছিষ্ট এবং মাংস কাটার চাটাই পড়ে থাকতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও সড়কের পাশে রক্ত জমে থাকায় পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে।

উত্তর সিটির মিরপুর, শাহজাদপুর, বনানী ও গুলশানের কিছু এলাকায় এখনও বর্জ্যের স্তূপ দেখা গেছে। একইভাবে দক্ষিণ সিটির বনশ্রী, খিলগাঁও, সবুজবাগ, জিগাতলা, চকবাজার, হাজারীবাগ ও বকশীবাজারের বিভিন্ন সড়কেও পড়ে থাকতে দেখা যায় কোরবানির উচ্ছিষ্ট অংশ।
ঈদের দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আব্দুস সালাম ৮ ঘণ্টার মধ্যে এবং উত্তর সিটির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান ১২ ঘণ্টার আগেই বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
তবে, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় নগরবাসীর মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, দ্রুত অপসারণের ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে সব এলাকায় সমানভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি।
অন্যদিকে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বলছেন, এক সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য অপসারণ করতে গিয়ে কিছু এলাকায় দেরি হচ্ছে। তারপরও দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব বর্জ্য সরিয়ে ফেলার কাজ চলমান রয়েছে।








































আপনার মতামত লিখুন :