Daily Poribar
Bongosoft Ltd.
ঢাকা শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০

কম টাকায় থাইল্যান্ড ভ্রমণ


দৈনিক পরিবার | ভ্রমণ ডেস্ক ডিসেম্বর ৭, ২০২৩, ১০:৫৩ পিএম কম টাকায় থাইল্যান্ড ভ্রমণ

বাংলাদেশীদের ভ্রমণের তালিকায় ভারতের পরেই থাইল্যান্ড। ইদানিং থাইল্যান্ডের সাথে কম্বোডিয়া ও লাওস ঘুরে আসে। আপনি কিভাবে কম খরচে বা কিভাবে প্ল্যান করলে কম সময়ে বা বেশি সময়ে ঘুরতে পারেন তার বিস্তারিত জানাচ্ছি।
আমাদের মধ্যে সব সময় একটা প্রবণতা কাজ করে এক সাথে অনেকগুলো দেশ ভ্রমণ করা আর সেটা যদি কম সময়ে বা এক সাথে হয় তাহলে কারো মতে পাসপোর্ট ভারি হয়ে যায় বা ট্রাভেল হিষ্ট্রি তৈরি হয়।
আবার অনেকে আছেন প্রকৃতি প্রেমী যারা সবুজ ও ন্যাচারালকে বেশি পছন্দ করে। তাদের কাছে হিষ্ট্রি বলে কোন শব্দ নেই। তারা শুধু ভ্রমণকে উপভোগ করেন।
থাইল্যান্ড
আমি যেহেতু থাইল্যান্ড যাব এই জন্য ৩ তিন মাস আগে একটা প্ল্যান করি। আর থাইল্যান্ড গেলে সাথে যেন আরও কয়েকটি দেশ ঘুরে আসতে পারি সেটা নিয়ে প্ল্যান করা হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক ভ্রমণের প্রথম শর্ত পাসপোর্ট এবং ভিসা। পাসপোর্ট যেহেতু রয়েছে এখন ভিসা নিয়ে আলোচনা করি বিশেষ করে থাইল্যান্ড ভিসা অনেকের জন্য জটিল আবার অনেকের জন্য সহজ বটে। কারণ এই ভিসার জন্য অনেকে বিএল/ভিএল/বি এই টাইপের সিল খেয়ে বসে আছে। সুতরাং একটা চিন্তা রয়ে যায়। আর একবার ভিসা হয়ে গেলে পরবর্তীতে এই সমস্যায় কেউ পরেছে বলে মনে হয় না। এবার আমার ভিসা হওয়া নিয়ে কথা বলি
থাইল্যান্ড ভিসার জন্য আমার কি কি ডকুমেন্ট লেগেছে সেটা বিবরণ নিচে উল্লেখ করা হল
১। সকল পাসপোর্ট (পুরাতন এবং নতুন)
২। ২ কপি ছবি (৩.৫/৪.৫) ল্যাব প্রিন্ট ম্যাট পেপারে।
৩। অরজিনাল ব্যাংক স্টেটমেন্ট (৬ মাস)
৪। ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট
৫। ভিজিটিং কার্ড ২ কপি
৬। ট্রেড লাইসেন্স (নোটারি করা)
৭। ব্যবসার অফিসিয়াল প্যাড
৮। ভিসা ফি বাবদ ৫২০০ টাকা
এইসব কাগজ আমার লেগেছিল। আমার পরিচিত এক কলিগের মাধমে তার ট্রাভেল এজেন্সিতে জমা দিয়েছিলাম। জমা দেওয়ার পরেরদিন একটা শুধু ফোন আসলো। আমার নাম জানতে চাইলো। থাইল্যান্ডের জন্য ভিসা জমা দিয়েছি কি না, এটা জানতে চাইলো। আমি শুধু হ্যাঁ বলেছি। দুইদিন পরে আমার এজেন্সি ফোন করে পাসপোর্ট নিয়ে আসতে বলেছে। এতো তাড়াতাড়ি ভিসা হবে আমি কল্পনা করিনি।
থাইল্যান্ড টিকেট
আপনি যদি বাজেট ট্রাভেল দিতে চান তাহলে আপনি আগে থেকে প্ল্যান করবেন। আমি ভিসা পাওয়ার সাথে সাথে টিকেট করে ফেলি। আমি সব সময় ১/২ মাস আগে টিকেট করার চেষ্টা করি। এতে দাম ভালো পাওয়া যায়। আর সেই দেশ সম্পর্কে জানার জন্য হাতে সময় থাকে। থাইল্যান্ড যেহেতু ৩ মাসের ভিসার মেয়াদ দিয়ে থাকে তাই সহজ হয় প্ল্যান করতে। শেষ মাসে যাওয়ার প্ল্যান করি। অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট চেক করে দেখা যায় বিমান বাংলাদেশ, ইউএস বাংলা, থাই এয়ার এশিয়া, থাই এয়ার অন্যগুলো চেক করে ৩২ হাজারে নিচে কোন টিকেট পাচ্ছিলাম না। থাই এয়ার এশিয়াতে ২৮ হাজারে করা যায় কিন্তু আসার সময় চেকইন ব্যাক ছাড়া। যদিও অতিরিক্ত ব্যাগ যোগ করা যায়। তবুও বাংলাদেশ বিমানে টিকেট করি ৩৩ হাজার দিয়ে যাওয়া এবং আসার জন্য। আপনি চাইলে ভারত হয়ে ট্যুর দিতে পারেন সে জন্য হয়ত আপনার ভারতের ভিসা লাগবে কিন্তু খরচ কমে যাবে। আমি ৩ দেশের জন্য প্ল্যান করেছি আপনি যদি ভিয়েতনাম সহ প্ল্যান করেন তাহলে সবচেয়ে ভালো।
আপনি কলকাতা ৩-৪ দিন ঘুরে ভিয়েতনাম চলে যাবেন। ১০-১২ হাজারের মধ্যে টিকেট পাবেন। ভিয়েতনাম ঘুরে কম্বোডিয়া। তারপর লাওস অথবা ভিয়েতনাম থেকে লাওস সহজ হবে। তবে আপনাকে ভিয়েতনাম থেকে লাওস এর ভিসা নিতে হবে। আর যদি বাংলাদেশ থেকে চিন্তা করেন তাহলে থাইল্যান্ড হয়ে বাকি দেশে ঘুরতে যাওয়া ভালো।
আমি যেহেতু বাংলাদেশ থেকে ঘুরতে যাচ্ছি সেজন্য থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া লাওস প্ল্যান করা। বাংলাদেশ বিমানে টিকেট কাটার সময় থাইল্যান্ড যাওয়ার ফিক্সড টিকেট ও আসার সময় ফ্লেক্সি টিকেট ক্রয় করি এতে ৩৩ হাজার খরচ হয়েছে আমার।
আমার রিটার্ন তারিখ ভিসা মেয়াদ শেষ হওয়ার ১ দিন আগে দেওয়া হয়েছিল। যেহেতু আমি ১ মাসের ট্যুরে যাচ্ছি এই জন্য সেখানে গিয়ে আবার রি এন্ট্রি ভিসা নিলে হয়ত টিকেট তারিখ পেছাতে হবে এই জন্য ফ্লেক্সি টিকেট নেওয়া। যাতে সামান্য কিছু খরচ দিয়ে তারিখ পেছানো যায়।
ইমিগ্রেশন ও ভ্রমণ
যথারীতি ভ্রমণের দিন চলে আসল। আমার ফ্লাইট ছিল ঢাকা থেকে ব্যাংকক সুবর্ণভূমি এয়ারপোর্টে সকাল ১১.৪৫ মিনিটে। আমি ৩ ঘন্টা আগে গিয়েছিলাম। কারণ ইউসিবি একটা লাউঞ্জ আছে ফ্রি অ্যাক্সেস করতে পারবেন যদি আপনার প্ল্যাটিনাম অ্যাকাউন্ট থাকে। সকালে সকালে বাসা থেকে নাস্তা না করে চলে যাই। ৯টার মধ্যে আমি বোর্ডিং জন্য কাউন্টারে চলে যাই। যদিও ৩ ঘণ্টা আগে বোর্ডিং কাউন্টার ওপেন হয়ে যায়।
বোর্ডিং কাউন্টার ওপেন হওয়ার সাথে সাথে কাউন্টারে চলে গেলাম এবং বোর্ডিং পাস নিয়ে নিলাম। বোর্ডিং পাস নিয়ে চলে গেলাম ইমিগ্রেশনে। বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনে কত রকম নিয়ম রয়েছে সেটা দেখতে চাইলে আপনি প্রথম ভ্রমণে থাইল্যান্ড ভিসা অথবা দুবাই ভিসা অথবা কম্বোডিয়া/ ভিয়েতনামের ভিসা নিয়ে হাজির হলে বুঝতে পারবেন। যদিও এই সিস্টেম পৃথিবীর অন্য দেশে আছে কিনা জানি না। আমার ১২টি দেশ ঘুরা হয়েছে। শুধু ভারত থেকে যাওয়ার সময় রিটার্ন টিকেট ও ভিসা ছাড়া কিছু দেখতে চায়নি। আমার যেহেতু আগে দুবাই যাওয়া ছিল যার কারণে শুধু আমার রিটার্ন টিকেট ও হোটেল বুকিং আছে কিনা চেক করলেন। আমার হোটেল বুকিং শুধু সফট কপি মোবাইলে দেখিয়ে স্ট্যাম্প নিয়ে চলে গেলাম। তবে আমার পেইড বুকিং ছিল। আর আমার সাথে অনেকের ভিয়েতনাম ফ্লাইট ছিল তাদের নিয়ে সিনিয়র ইমিগ্রেশন অফিসারের রুমে নিয়ে কি কি জিজ্ঞেস করেছে জানা নেই। তবে অনেককে যেতে দেয়নি।
বিমান ১০ মিনিট লেটে ছাড়ে এবং যথারীতি বাংকক সুবর্ণভূমি এয়ারপোর্টে চলে যাই। সেখানে ইমিগ্রেশন খুবই ইজি ছিল। শুধু পাসপোর্ট আর বোর্ডিং পাস নিয়ে হাতের আঙ্গুলের ছাপ ও ছবি নিয়ে ওয়েলকাম। ব্যাংকক ইমিগ্রেশন কিছু জিজ্ঞেস করে না। অনেকে অনেক রকম কথা বলে আসলে এর সত্য কতটুকু জানা নেই। তবে হয়ত কারো সাথে এমন হয় নয়ত কেনবা বলে। আমার সাথে হয়নি তাই আমি কিছু বলতে পারছি না।
থাইল্যান্ডে থাকা ও খাওয়া এবং ট্রান্সপোর্ট
ব্যাংকক থাকার জন্য আপনি বাজেট ট্রাভেলার হলে হোস্টেল বেস্ট হবে। ৫-৭ ডলারে মধ্যে আগোডা, বুকিং ডট কম, ওলো থেকে বুকিং দিতে পারেন। আমি আগোডা ব্যবহার করি। তবে সবগুলো চেক করে দেখি কোনটাতে কম হয়। আমার যেহেতু সলো ট্যুর ছিল তাই হোস্টেল বেস্ট ছিল। সব হোস্টেলে আপনি আপনার ব্যাগ রাখার জন্য লকার সুবিধা পাবেন।
থাইল্যান্ডে আপনি কোন এরিয়াতে থাকবেন এটা একটা সমস্যা থাকে। আমি এই নিয়ে পোস্ট করলে সবাই সুকুমভিট সাজেস্ট করে। তবে আপনি যদি বেশি কোলাহল পছন্দ করেন তাহলে খাউছান রোড থাকতে পারেন আর যদি ভালো যোগাযোগ চিন্তা করেন তাহলে সুকুমভিট এরিয়াতে থাকতে পারেন। এছাড়া প্রাতুনাম এরিয়াতে ভালো। তবে এখানে ইন্ডিয়ানদের আনাগোনা বেশি আর সুকুমভিট বাঙালি বেশি। কারণ এই এরিয়াতে বামরুনগ্রাড হাসপাতাল এবং ইসলামিক খাওয়ার হোটেল ও বাংলা হোটেল হাসপাতাল গেটে রয়েছে।
আমি এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে সোজা গ্রাউন্ডে চলে যাই। সেখানে এয়ারপোর্ট রেল লিঙ্ক সার্ভিস রয়েছে। সেখানে সব ধরনের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পাবেন। আমি যেহেতু সুকুমভিত যাব এই জন্য এআরএল ৪৫ বাথ দিয়ে মেট্রোতে উঠে যাই। আপনার যদি সুকুমভিত কম খরচে যেতে চান তাহলে এই ব্যবস্থা সবচেয়ে ভালো। নয়ত ট্যাক্সি করে যেতে পারেন ৪০০-৬০০ বাথ লাগবে।
আপনি যদি ট্যাক্সি বা মোটরবাইক ব্যবহার করতে চান তাহলে বাংলাদেশ যেতে যাওয়ার আগে বোল্ট বা গ্র্যাভ অ্যাপ ইন্সটল করে যেতে পারেন। আর এই অ্যাপ ব্যবহার করার জন্য থাইল্যান্ড নাম্বার লাগবে এই জন্য আপনি বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার আগে কিছু থাইবাথ কিনে নিয়ে যেতে পারেন। আপনার ভিসা বা মাস্টারকার্ড ব্যবহার করে এয়ারপোর্ট থেকে সিম কিনতে পারেন। এটিএম বুথ রয়েছে সেখানে ব্যবহার করতে পারেন তবে রেট তুলনা মূলক কম থাকে এয়ারপোর্টে।
আমি এআইএস এর ই সিম নিয়েছিলাম ১৫ দিনের প্যাকেজ। ৩-১৫ দিনের লিমিটেড ও আনলিমিটেড এই রকম বিভিন্ন প্যাকেজ রয়েছে। আপনি যতদিন থাকবেন সেই হিসাব করে নিতে পারেন। আর এই সিম ১ মাস পর্যন্ত মেয়াদ থাকে। যথারীতি এয়ারপোর্টের গ্রাউন্ড থেকে মেট্রো এআরএল করে এসে পায়া থাই শেষ স্ট্রেশন থামে। পায়া থাই নেমে এক ফ্লোর নিচে এসে একটু সামনের দিকে যেতে হবে বিটিএস স্ক্যাইট্রেন ধরার জন্য। আপনি যে কোন ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলে বলে দিবে অথবা আপনি সেখানে অনেক সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে তাদের জিজ্ঞেস করবেন সুকুমভিট লাইন কোন দিকে। আমি যেহেতু সুকুমভিত ৪ যাব এই জন্য আমার নানা স্টেশন যেতে হবে। পায়াথাই স্টেশন থেকে নানা স্টেশন যেতে ৩৫ বাথ লেগেছে। সেখানে আপনি মেশিন থেকে টিকেট নিতে পারেন অথবা কাউন্টার রয়েছে সেখান থেকে নিতে পারেন। আপনি যেহেতু নতুন আপনি কাউন্টার থেকে নিন এবং তারা বলে দিবে কত নং প্লাটফর্ম যেতে হবে।
নানা স্টেশন নেমে একটু হাটলে আমার হোস্টেল। আর আপনি যে হোস্টেল থাকবেন সেখানে যোগাযোগ জন্য দেখবেন গুগল ম্যাপ অথবা পাবলিক ট্রান্সপোর্ট দূরত্ব লেখা আছে। আপনার হোস্টেল যে স্টেশন পাশে হবে সেখানের টিকেট নিবেন। এর থেকে সহজ ও ব্যয় বহুল হল ট্যাক্সি করে সোজা হোটেল বা হোস্টেল যাওয়া। অনেকে দেখি থাইল্যান্ড গিয়ে হোটেল খুঁজতে চান এটা কষ্ট ছাড়া কিছু নয়। আপনি খুঁজতে গেলে সময় ও খরচ বেশি হয়। আমি যে হোস্টেল বুকিং করে গিয়েছি সেখানে সরাসরি বুকিং করলে ২৫০-৩৫০ বাথ অথচ অনলাইন বুকিং করে ২১০ বাথ মত লেগেছে। সুতরাং আপনি বুকিং করার পূর্বে হোটেল বা হোস্টেল এর রিভিউ দেখে নিবেন ও রেটিং কেমন। আর বেশি রিভিউ হোটেল ও রেটিং যেটা ভালো সেটা বুকিং করবেন।
এবার খাওয়ার বিষয়ে আসি। আমি সব সময় খাবার নিয়ে একটু সতর্ক হারাম হালাল নিয়ে। বিশেষ করে অমুসলিম দেশে গেলে সেখানের মুসলিম এরিয়াতে থাকা বা হালাল খাবার খুঁজে বের করা। যাওয়ার আগে গুগল করে এইগুলো নোট করা আমার অভ্যাস।
অনেকে বলতে পারেন তাহলে কি সেই দেশের লোকাল ফুড খাওয়া যায় না? এই রকম নয় আপনি সেই দেশের স্ট্রিট ফুড বা লোকাল ফুডগুলো মুসলিম এরিয়া বা যেখানে হালাল খাবার বিক্রি করে সেখানে পাবেন। আর যদি বাঙালি হোটেল খুঁজে পান তাহলে দেশি খাবার খেতে পারবেন। আর যেখানে পাবেন না, সেখানে আপনি গুগল করে ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট খেতে পারবেন। আর খাওয়ার আগে অবশ্যই হালাল কিনা জিজ্ঞেস করে নিবেন। আর সুকুমভিট অনেক মুসলিম হোটেল ও বাংলাদেশী হোটেল রয়েছে।
থাইল্যান্ডে খাবারের মূল্য বেশি। খাবার খরচ অনেক তবে আপনি যদি এই খরচ কমাতে চান তাহলে সেভেন ইলেভেন সুপার সপ পাবেন প্রায় প্রতিটি গলিতে। সেখানে কম দামে ৪২/৫০ বাথের মধ্যে ডিম দিয়ে ফ্রাইড রাইচ পাবেন বা ভেজিটেবল ফাইড রাইচ খেতে পারেন। এই খাবারগুলো কেনার পূর্বে হালাল কিনা তার একটা লোগো রয়েছে দেখে নিবেন অথবা কাউন্টারে জিজ্ঞেস করে নিবেন। সাধারণত এই খাবারগুলো সব হালাল।
আর কেএফসি বা ম্যাকডোনাল্ড খেতে পারেন তবে সেখানে শুকুরের মাংস বিক্রি হয়। তবে কেএফসিতে নাকি বিক্রি করে না। সেখানে ৬০ বাথে একটা রাইচ বোল পাওয়া যায়। আমি ফুকেট গিয়ে অনেকবার খেয়েছি।
ভ্রমণ জায়গা সমুহ
আপনি যদি ব্যাংকক ঘুরতে চান তাহলে নিচের জায়গাগুলো ভালো লাগবে। গ্র্যান্ডপ্যালেস, ওয়াট অরুন, ফ্লোটিং মার্কেট, লুম্ফিনি পার্ক, চায়না টাউন, ব্যাংকক জাদুঘর, চাটুচাক সাপ্তাহিক মার্কেট, ব্যাংকক সাফারি ওয়ার্ল্ড, আইকন সিয়াম, স্ক্যাইওয়াক কাঁচের উপর হাঁটাহাঁটি অথবা ব্যাংকক অব্জারভেশন সেন্টার থেকে পুরো সিটিকে দেখা যায়।
আপনি যদি সিটির বাইরে চিন্তা করেন তাহলে নিচের সিটিগুলো ভ্রমণ করতে পারেন পাতায়া, ফুকেট, ফি ফি আইল্যান্ড, ক্রাবি, সুরাতথানি, চিয়াংমাই, উবন রাতচাথানি, কহো তাও, কো চাং, আয়ু থায়া। এই সিটিগুলো আমার কাছে ভালো লেগেছে।

Side banner