ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে প্রতীক বরাদ্দের সাথে সাথে প্রার্থীরা মুখরিত করে তুলেছে রাজনৈতিক অঙ্গনকে। উপজেলা সদর থেকে ইউনিয়ন এমনকি ওয়ার্ড পর্যায়ে নির্বাচনী প্রচার সভা, মাইকিংয়ে মুখরিত করে তুলেছেন এলাকা। প্রার্থীদের পক্ষে সমর্থকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিফলেট নিয়ে ভোট চাইতে শুরু করেছেন। প্রার্থীদের ঘুম নেই। সকাল থেকে গভীর রাত অবধি দলে দলে বিভক্ত হয়ে প্রচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। সকাল-সন্ধ্যা চায়ের দোকানে চলছে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা। দীর্ঘদিন ভোট প্রয়োগের সুযোগ না পাওয়ায় এবার ভোটারদের মধ্যে নতুন অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছে। তারপরে রয়েছে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ ভোটের বিষয়। যা ভোটারদের অনেকের কাছেই অজানা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জাতীয়পার্টির কোন প্রার্থী না থাকায় এখন পর্যন্ত প্রচার প্রচারণা এগিয়ে আছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি (মাথাল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবু কায়েস সিকদার (ফুটবল)।
প্রথমবারের মতো এই উপজেলার সবকটি গ্রামে চিরচেনা নৌকা, ধানের শীষ এবং লাঙ্গল প্রতীক না থাকায় ভোটারদের মধ্যে নানা আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে হতাশাও ব্যক্ত করেছেন। তবে বিএনপির তাদের জোটবদ্ধ গণসংহতি আন্দোলনকে এই আসনটি ছাড় দিয়েছে। ফলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা জোনায়েদ সাকির মাথার মার্কাকে বিজয়ী করতে মাঠে নেমেছেন। অন্যদিকে ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবু কায়েস সিকদারের প্রচার প্রচারণা চোখে পড়ার মতো। বলতে গেলে এখন পর্যন্ত উপজেলার সবকটি গ্রামেই মাথাল ও ফুটবলের ব্যাপক প্রচারণা লক্ষ্যনীয়। তবে বসে নেই অন্যরা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সাইদ উদ্দিন খান জাবেদ ও জামায়াতের প্রার্থী মো. মহসিনও। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ডক্টর সাইদুজ্জামান কামালও হরিণ প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এছাড়া ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সফিকুল ইসলাম (আম), গণঅধিকার পরিষদের সফিকুল ইসলাম (ট্রাক), জেএসডির এ্যাডভোকেট কেএম জাবির (তারা), ইসলামী ফ্রন্টের আবু নাসের (মোমবাতি) এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের হাবিবুর রহমান আপেল প্রতীকে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছেন।
নির্বাচন প্রসঙ্গে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা গণসংহতি আন্দোলনের সভাপতি শামিম শিবলী বলেন, বাঞ্ছারামপুরে মাথাল মার্কার গণজোয়ার শুরু হয়েছে। জোনায়েদ সাকি এমপি নির্বাচিত হলে বাঞ্ছারামপুরে গ্রামীণ অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন হবে।
ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আবু কায়েস সিকদার বলেন, বাঞ্ছারামপুরের অলিগলি, পাড়া মহল্লায় ফুটবলের গণজোয়ার। ইনশাল্লাহ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাঞ্ছারামপুরে ফুটবলের জয় হবে এবং আমি এমপি নির্বাচিত হবো।








































আপনার মতামত লিখুন :