Daily Poribar
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২

শতাধিক আসনে বিএনপিতে বিদ্রোহ, কঠোর বার্তা হাইকমান্ডের


দৈনিক পরিবার | নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৭:৪২ পিএম শতাধিক আসনে বিএনপিতে বিদ্রোহ, কঠোর বার্তা হাইকমান্ডের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে বিএনপির শতাধিক নেতা বিভিন্ন আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপি ঘোষিত দলীয় ও জোটের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তারা।
দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এসব প্রার্থী ইতোমধ্যে নিজ নিজ এলাকায় জোরালো প্রচার-প্রচারণাও শুরু করেন। বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। দলটি জানিয়েছে, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যারা প্রার্থী হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় এরই মধ্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানাসহ ৯ নেতাকে প্রাথমিক সদস্যসহ দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে নির্বাচনি কার্যক্রম ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহ আলম, হাসান মামুন ও আব্দুল খালেককে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়া কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশকেও দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে যারা মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, তাদের কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হবে। নির্দেশ অমান্য করলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার আগ মুহূর্তে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য না করার ব্যাপারেও তিনি সতর্ক করেন। তবে তারেক রহমানের এমন নির্দেশনার পরও দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি উদ্বেগের বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, অনেকে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এখনো সুনির্দিষ্ট তথ্য হাতে আসেনি। ধীরে ধীরে জানা যাবে কতগুলো আসনে কতজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।
বিভিন্ন আসনে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থীরা
দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে দেশের বিভিন্ন সংসদীয় আসনে বিএনপির নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।
কুড়িগ্রাম-১ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইউনুস আলী, নীলফামারী-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলমগীর সরকার, দিনাজপুর-১ আসনে বীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির জাকির হোসেন ধলু, দিনাজপুর-২ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি নেতা মর্তুজা, গাইবান্ধা-৪ আসনে ফারুক করিম আহমেদ ও গাইবান্ধা-৫ আসনে নাহিদুজ্জামান নিশাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
রাজশাহী-১ আসনে (তানোর-গোদাগাড়ী) গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য সুলতানুল ইসলাম তারেক, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ড. জাহিদ দেওয়ান শামীম, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুল এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য ব্যারিস্টার সালেকুজ্জামান সাগর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আল মামুন খান, রাজশাহী জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রোকনুজ্জামান আলম, পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য ইসফা খায়রুল হক শিমুল ও পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিক এবং রাজশাহী-৬ আসনে (বাঘা-চারঘাট) জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
নাটোর-১ আসনে বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাইফুল ইসলাম টিপু, জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দাউদার মাহমুদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আশরাফুল ইসলাম, মহিলা দল নেত্রী ফাতেমা খানম, বিএনপি নেতা ইউসুফ আলী ও খোরশেদ আলম মৃধা; নাটোর-২ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য সাবিনা ইয়াসমিন ছবি এবং নাটোর-৪ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য আবুল কাশেম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
সিরাজগঞ্জে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন পাঁচ নেতা। সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে (রায়গঞ্জ ও তাড়াশ) তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে (উল্লাপাড়া) উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজাদ হোসেন, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে (বেলকুচি ও চৌহালী) তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মওলা খান বাবলু, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে (শাহজাদপুর) স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার এবং জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও উপজেলা আরাফাত রহমান স্মৃতি সংসদের সভাপতি শফিকুল ইসলাম ছালাম মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
কুষ্টিয়া-২ আসনে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম ও ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া- ৩ আসনে অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দীন, কুষ্টিয়া-৪ আসনে নুরুল ইসলাম আনসার প্রামাণিক, নড়াইল-১ আসনে নাগিব হোসেন ও এস এম সাজ্জাদ হোসেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে কৃষকদলের সদস্য মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর, দৌলতপুর, শিবালয়) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তোজাম্মেল হক ও মানিকগঞ্জ-৩ (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান আতা, গোপালগঞ্জ-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এইচ খান মঞ্জু ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝারা) আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সোবাহান, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির নির্বাহী সদস্য মো. হাসান মামুন ও ঝালকাঠি-১ আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা গোলাম আজম সৈকত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন ও সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে মো মহসীন মিয়া মধু, এবং সিলেট-৫ আসনে (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপির সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ-২ (তারাকান্দা-ফুলপুর) আসনে আবুল বাশার আকন্দ, ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরন, ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে মো. তানভীর আহমেদ রানা, ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে জয়নাল আবেদীন, ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে শাহ্ নূরুল কবির, ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী ও তার ছেলে নাসের খান চৌধুরী, মামুন বিন আব্দুল মান্নান, আনোয়ারুল মোমেন, এ.এফ.এম আজিজুল ইসলাম পিকুল, ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে মুশফিকুর রহমান ও এবি সিদ্দিকুর রহমান এবং ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে আলহাজ মোর্শেদ আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এএসএম আব্দুল হালিম, জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফায়েজুল ইসলাম লাঞ্জু ও মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ, শেরপুর-১ (সদর) আসনে শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে ইলিয়াস খান, ফয়জুর রহমান, দুলাল চৌধুরী, জিয়াউর রহমান ও সৈয়দ মুহাম্মদ সাঈদ, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে আমিনুল ইসলাম বাদশা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। চাঁদপুর-৫ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য কামাল উদ্দিন, চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আ. হান্নান, সদস্য মোজাম্মেল, মো. আব্দুল মালেক, বিএনপি নেতা মো. আব্বাস উদ্দিন ও মো. মোতাহের হোসেন, চাঁদপুর-২ আসনে জেলা বিএনপি নেতা তানভীর হুদা ও ডা. শামীম সরকার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে বিএনপির নেতা জিয়াদ আমিন খান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) আজিম উল্ল্যাহ বাহার, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সম্পাদক রফী উদ্দিন ফয়সাল ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. তরিকুল আলম, চট্টগ্রাম-৫ আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক ও বিএনপি নেতা শাকিলা ফারজানা, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনে নগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. আবুল হাশেম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সামছুল আলম, বিএনপি নেতা বিপ্লব দে ও শাহজাদা মোহাম্মদ আহসান উল্লা খান, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা–কর্ণফুলী) আসনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস ও সদস্যসচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন, ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হামিদুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম-১৬ আসনে বিএনপি নেতা লেয়াকত আলী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

Side banner